ফারুখ আহম্মেদ, বেলাব(নরসিংদী) প্রতিনিধি :
বেলাবতে কোয়েল পাখি পালন করে লাখপতি হয়েছে শাহিন আলম মিন্টু নামে এক বেকার যুবক। কোয়েল পাখি পালন করে মিন্টু এখন স্বাবলম্বী। সেই সাথে বদলে গেছে তার ভাগ্যের চাকা।
উপজেলার আমলাব ইউনিয়নের উত্তর বটেশ্বর গ্রামের শাহিন আলম মিন্টু ৫ বছর আগে ঢাকার কেরানিগঞ্জ থেকে পচিঁশ হাজার টাকা দিয়ে ৫শ কোয়েল পাখির বাচ্চা ক্রয় করেন। সেই ৫শ বাচ্চা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে মিন্টু ৫ টি ফার্মের মালিক। মিন্টুর স্বাবলম্বী হওয়া দেখে এলাকার প্রায় অর্ধশতাধিক যুবক এ পেশায় জড়িত হয়েছেন। বর্তমানে মিন্টুর আর ঢাকা থেকে বাচ্চা ক্রয় করতে হয়না। নিজেই বাচ্চা ফুটানোর জন্য ৭৫ হাজার টাকা দিয়ে ইনকিভেটর নামের একটি মেশিন ক্রয় করেছেন। এই মেশিনের সাহায্যে বাচ্চা ফুটিয়ে নিজের ফার্মে ও অন্যান্য খামারীদের কাছে বিক্রি করেও লাভ করছেন লাখ লাখ টাকা।
খামারি মিন্টুর সাথে কথা বলে জানা যায়, একেকটি কোয়েল পাখি বিক্রি করেন ১৫ থেকে ২০ টাকায়। ডিম ফুটানোর জন্য প্রতিটি কোয়েল পাখির খাবার ও অন্যান্য খরচ হয় ১ টাকা। প্রতিদিন প্রতিটি কোয়েল পাখি ডিম দেয় একটি করে। প্রতিটি ডিম বিক্রি করেন ২ টাকা করে। প্রতিটি পাখি ১৮ মাস ডিম দেয়। তারপর একটি পাখি বিক্রি করেন ৩০ থেকে ৩৫ টাকা দরে।
গত ব্যাচে মিন্টু তার খামারে ৪ হাজার কোয়েল পাখি পালন করেন। এতে যাবতীয় খরচ বাদে তার লাভ হয়েছে ৬ লাখ টাকা।
কোয়েল পাখি পালন করে মিন্টু এ পর্যন্ত পরিবারে ভরণপোষন করে ২০ লক্ষ টাকার জমি ক্রয় করেছেন ,১০ লক্ষ টাকা খরচ করে বাড়ি করেছেন। পাশাপাশি স্থানীয় বটেশ্বর বাজারে কোয়েল পাখির খাবার ও মেডিসিনের দোকান দিয়েছেন ৫ লাখ টাকা খরচ করে।
খামারী মিন্টু বলেন,আগে আমি বেকার ছিলাম। এখন কোয়েল পাখি পালন করে আমি বেকারের অভিশাপ থেকে মুক্তি পেয়েছি। বর্তমানে মাসে আমার আয় হয় ৫০ লাখ টাকার মত। আমার দেখাদেখি অনেকেই কোয়েল পাখি পালনে এগিয়ে আসছে।
বেলাবতে কোয়েল পাখি পালন করে লাখপতি হয়েছে শাহিন আলম মিন্টু নামে এক বেকার যুবক। কোয়েল পাখি পালন করে মিন্টু এখন স্বাবলম্বী। সেই সাথে বদলে গেছে তার ভাগ্যের চাকা।
উপজেলার আমলাব ইউনিয়নের উত্তর বটেশ্বর গ্রামের শাহিন আলম মিন্টু ৫ বছর আগে ঢাকার কেরানিগঞ্জ থেকে পচিঁশ হাজার টাকা দিয়ে ৫শ কোয়েল পাখির বাচ্চা ক্রয় করেন। সেই ৫শ বাচ্চা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে মিন্টু ৫ টি ফার্মের মালিক। মিন্টুর স্বাবলম্বী হওয়া দেখে এলাকার প্রায় অর্ধশতাধিক যুবক এ পেশায় জড়িত হয়েছেন। বর্তমানে মিন্টুর আর ঢাকা থেকে বাচ্চা ক্রয় করতে হয়না। নিজেই বাচ্চা ফুটানোর জন্য ৭৫ হাজার টাকা দিয়ে ইনকিভেটর নামের একটি মেশিন ক্রয় করেছেন। এই মেশিনের সাহায্যে বাচ্চা ফুটিয়ে নিজের ফার্মে ও অন্যান্য খামারীদের কাছে বিক্রি করেও লাভ করছেন লাখ লাখ টাকা।
খামারি মিন্টুর সাথে কথা বলে জানা যায়, একেকটি কোয়েল পাখি বিক্রি করেন ১৫ থেকে ২০ টাকায়। ডিম ফুটানোর জন্য প্রতিটি কোয়েল পাখির খাবার ও অন্যান্য খরচ হয় ১ টাকা। প্রতিদিন প্রতিটি কোয়েল পাখি ডিম দেয় একটি করে। প্রতিটি ডিম বিক্রি করেন ২ টাকা করে। প্রতিটি পাখি ১৮ মাস ডিম দেয়। তারপর একটি পাখি বিক্রি করেন ৩০ থেকে ৩৫ টাকা দরে।
গত ব্যাচে মিন্টু তার খামারে ৪ হাজার কোয়েল পাখি পালন করেন। এতে যাবতীয় খরচ বাদে তার লাভ হয়েছে ৬ লাখ টাকা।
কোয়েল পাখি পালন করে মিন্টু এ পর্যন্ত পরিবারে ভরণপোষন করে ২০ লক্ষ টাকার জমি ক্রয় করেছেন ,১০ লক্ষ টাকা খরচ করে বাড়ি করেছেন। পাশাপাশি স্থানীয় বটেশ্বর বাজারে কোয়েল পাখির খাবার ও মেডিসিনের দোকান দিয়েছেন ৫ লাখ টাকা খরচ করে।
খামারী মিন্টু বলেন,আগে আমি বেকার ছিলাম। এখন কোয়েল পাখি পালন করে আমি বেকারের অভিশাপ থেকে মুক্তি পেয়েছি। বর্তমানে মাসে আমার আয় হয় ৫০ লাখ টাকার মত। আমার দেখাদেখি অনেকেই কোয়েল পাখি পালনে এগিয়ে আসছে।
No comments:
Post a Comment