Friday, August 12, 2016

লাভ বার্ড মুছে দিয়েছে বেকারত্বের অভিশাপ

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলা সদরের কলেজপাড়ার বাসিন্দা মশিউর রহমান তিনি বিভিন্ন ধরনের বিদেশি পাখি পালন করছেন পাশাপাশি পাখিপ্রেমীদের কাছে বাচ্চা সরবরাহ করে তাদের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন পাখি পালনের কারণে দলিল লেখক নজির উদ্দিনের ছেলে মশিউর রহমান ইতোমধ্যেই 'পাখি মশিউর' বলে পরিচিতি লাভ করেছেন পাখি মশিউর বললেই যে কেউ তাকে চিনবে এক নামে মশিউর রহমান বলেন, ১৯৯৮ সালে এসএসসি পাসের পর বেকার হয়ে পড়েন এরপর তিনি তিন বছর পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঠিকাদারি কাজ করেন ২০০৩ সালে পিতার হাত ধরে দলিল লেখকের কাজ শুরু করেন এরই মধ্যে ২০০০ সালে বগুড়ায় বেড়াতে গিয়ে এক দোকানে বিদেশি লাভ নামের সুন্দর পাখি দেখে উৎসাহিত হন সেই উৎসাহ নিয়ে মহাদেবপুরের পাখি মনসুর নামে এক পাখিপ্রেমীর পরামর্শে বগুড়া থেকে জোড়া বিদেশি লাভ পাখি কিনে আনেন এরপর বাড়িতে মাটির পাতিল ফুটো করে সেগুলোতে পাখি পালন শুরু করেন এসব পাখি থেকে ডিম এবং বাচ্চা উৎপাদিত হয়ে ক্রমেই পাখির সংখ্যা বাড়তে থাকে  

বাড়ির পরিত্যক্ত দুটি ঘরে পাখির আবাস গড়ে তোলেন তিনি বর্তমানে নতুন করে ইটের ঘর তৈরি করছেন পাখির জন্য মশিউরের পাখির সংখ্যা প্রায় এক হাজার এসব পাখি নিয়মিত ডিম দিচ্ছে এবং ডিম থেকে বাচ্চা উৎপাদিত হচ্ছে প্রতি মাসে পাখির খামার থেকে কমপক্ষে ১৫০ থেকে ২০০ বাচ্চা উৎপাদিত হয় তিনি বলেন, এসব বাচ্চা বিক্রির প্রধান মার্কেট ঢাকার কাঁটাবন পাখি মার্কেট প্রতি মাসে কাঁটাবন পাখি মার্কেটে মশিউর পাখির বাচ্চা সরবরাহ করে থাকেন পাখির বাচ্চা এক জোড়া ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি করেন প্রতি মাসে তিনি ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকার পাখির বাচ্চা বিক্রি করে থাকেন পাখির খাদ্য এবং ওষুধ-পরিচর্যা বাবদ প্রতি মাসে খরচ হয় থেকে হাজার টাকা খরচ বাদ দিয়ে তিনি মাসে আয় করছেন ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা তিনি এখন স্বাবলম্বী বলে মনে করেন এর পাশাপাশি ৫টি বিদেশি মৌমাছির বাঙ্ কিনে এনেছেন সেখান থেকেও তিনি প্রতি সপ্তাহে কেজি মধু সংগ্রহ করে ৭০০ টাকায় বিক্রি করছেন শুধু তাই নয়, পুকুরে মাছও চাষ করছেন তার পাখির খামার ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে সম্প্রতি দিনাজপুর থেকে লাভ পাখি দেখার জন্য কয়েকজন পাখিপ্রেমিক এসেছিলেন কেউ কেউ সৌখিনভাবে পালনের জন্য পাখির বাচ্চাও কিনে থাকেন

বদলগাছী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আল মামুন বলেন, কোনো কোনো সৌখিন মানুষ বাড়িতে সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য খাঁচায় পাখি পালন করে থাকেন। তবে বাণিজ্যিকভাবে পাখি পালন করার সম্ভাবনা এখানে রয়েছে। তার উদ্যোগকে আমি সাধুবাদ জানাই এবং বেকার যুবকদের পাখি পালনের জন্য আহবান জানাচ্ছি
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলা সদরের কলেজপাড়ার বাসিন্দা মশিউর রহমান। তিনি বিভিন্ন ধরনের বিদেশি পাখি পালন করছেন। পাশাপাশি পাখিপ্রেমীদের কাছে বাচ্চা সরবরাহ করে তাদের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। পাখি পালনের কারণে দলিল লেখক নজির উদ্দিনের ছেলে মশিউর রহমান ইতোমধ্যেই 'পাখি মশিউর' বলে পরিচিতি লাভ করেছেন। পাখি মশিউর বললেই যে কেউ তাকে চিনবে এক নামে। মশিউর রহমান বলেন, ১৯৯৮ সালে এসএসসি পাসের পর বেকার হয়ে পড়েন। এরপর তিনি তিন বছর পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঠিকাদারি কাজ করেন। ২০০৩ সালে পিতার হাত ধরে দলিল লেখকের কাজ শুরু করেন। এরই মধ্যে ২০০০ সালে বগুড়ায় বেড়াতে গিয়ে এক দোকানে বিদেশি লাভ নামের সুন্দর পাখি দেখে উৎসাহিত হন। সেই উৎসাহ নিয়ে মহাদেবপুরের পাখি মনসুর নামে এক পাখিপ্রেমীর পরামর্শে বগুড়া থেকে ৬ জোড়া বিদেশি লাভ পাখি কিনে আনেন। এরপর বাড়িতে মাটির পাতিল ফুটো করে সেগুলোতে পাখি পালন শুরু করেন। এসব পাখি থেকে ডিম এবং বাচ্চা উৎপাদিত হয়ে ক্রমেই পাখির সংখ্যা বাড়তে থাকে। বাড়ির পরিত্যক্ত দুটি ঘরে পাখির আবাস গড়ে তোলেন তিনি। বর্তমানে নতুন করে ইটের ঘর তৈরি করছেন পাখির জন্য। মশিউরের পাখির সংখ্যা প্রায় এক হাজার। এসব পাখি নিয়মিত ডিম দিচ্ছে এবং ডিম থেকে বাচ্চা উৎপাদিত হচ্ছে। প্রতি মাসে পাখির খামার থেকে কমপক্ষে ১৫০ থেকে ২০০ বাচ্চা উৎপাদিত হয়। তিনি বলেন, এসব বাচ্চা বিক্রির প্রধান মার্কেট ঢাকার কাঁটাবন পাখি মার্কেট। প্রতি মাসে কাঁটাবন পাখি মার্কেটে মশিউর পাখির বাচ্চা সরবরাহ করে থাকেন। পাখির বাচ্চা এক জোড়া ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি করেন। প্রতি মাসে তিনি ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকার পাখির বাচ্চা বিক্রি করে থাকেন। পাখির খাদ্য এবং ওষুধ-পরিচর্যা বাবদ প্রতি মাসে খরচ হয় ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা। খরচ বাদ দিয়ে তিনি মাসে আয় করছেন ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। তিনি এখন স্বাবলম্বী বলে মনে করেন। এর পাশাপাশি ৫টি বিদেশি মৌমাছির বাঙ্ কিনে এনেছেন। সেখান থেকেও তিনি প্রতি সপ্তাহে ২ কেজি মধু সংগ্রহ করে ৭০০ টাকায় বিক্রি করছেন। শুধু তাই নয়, পুকুরে মাছও চাষ করছেন। তার এ পাখির খামার ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে। সম্প্রতি দিনাজপুর থেকে লাভ পাখি দেখার জন্য কয়েকজন পাখিপ্রেমিক এসেছিলেন। কেউ কেউ সৌখিনভাবে পালনের জন্য পাখির বাচ্চাও কিনে থাকেন।
বদলগাছী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আল মামুন বলেন, কোনো কোনো সৌখিন মানুষ বাড়িতে সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য খাঁচায় পাখি পালন করে থাকেন। তবে বাণিজ্যিকভাবে পাখি পালন করার সম্ভাবনা এখানে রয়েছে। তার এ উদ্যোগকে আমি সাধুবাদ জানাই এবং বেকার যুবকদের পাখি পালনের জন্য আহবান জানাচ্ছি।
- See more at: http://www.bd-pratidin.com/last-page/2014/01/04/35894#sthash.kbR8oopF.dpuf

No comments:

Post a Comment