মাত্র ৩ দিনের প্রশিক্ষন নিয়ে মৌমাছি চাষে সফল হয়েছেন বগুড়ার শেরপুরের
শাহাদত হোসেন। স্বল্পপুজি বিনিয়োগ, সামান্য পুজি বিনিয়োগ, সামান্য শ্রম ও
তদারকি করে সব খরচ বাদে এ বছর সাত মসে তিনি আয় করেছেন প্রায় ১৫ লাখ টাকা।
টাকা উপার্জনের পাশাপাশি তিনি এ পেশাকে সেবা হিসেবেও গ্রহণ করেছেন। এক
সময়ের বেকার শাহাদতের এখন কর্মসংস্থান হয়েছে এলাকার বেশ কয়েকজন যুবকের।
শুধু তাই নয় , শাহাদত এখন স্বপ্ন দেখছেন বিদেশে মধু রপ্তানির। বগুড়ার
কাহালুতে কথা হয় শাহাদতের সঙ্গে ।
তিনি জানান, এক সময় মৌমাছি বনে জঙ্গলে গাছের ডালে বাসা বাধলেও বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি চাষ করছেন অনেকেই।
সাধারণত সরিষাখেত, লিচু বাগান, আম বাগানের পাশে বিশেষ বক্সে মৌমাছি চাষ করা হয়। এই বক্সে জমানো মধু মেশিনের সাহায্যে প্রক্রিয়া করা হয়। শাহাদত বলেন, ২০০৭ সালে পল্লীউন্নয়ন একাডেমী ( আরডিএ) বগুরা থেকে মৌমাছি পালন বিষয়ে মাত্র তিন দিনের প্রশিক্ষন নিয়ে নিজের প্রবল ইচ্ছা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে কয়েক বছরের ব্যবধানে গড়ে তুলেছেন এক মৌমাছি পালন প্রকল্প। তাঁর প্রকল্প থেকে সংগৃহীত মধু স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানির স্বপ্ন দেখছেন তিনি। মৌমাছির প্রকল্প করে তিনি যেমন লাভবান হয়েছেন, পাশাপাশি আরো চার জনের কর্মসংস্থান হয়েছে। শাহাদত জানান, সরিষা, কালোজিরা সহ বিভিন্ন ফলস ও বাগানের ফুলে মৌমাছি বসায় পরাগায়ন সৃষ্টির ফলে ফলন বৃদ্ধি পাচ্ছে। শাহাদতের মৌমাছির খামারে ৮০ টি বাক্স রয়েছে। বছরে সাত মাস মধু সংগ্রহ করেন তিনি। এ সময়ের মধ্যে ১০০ থেকে ১০৫ মণ মধু সংগ্রহ করা যায় বলে সাহাদাত জানান। এই পরিমাণ মধুর পাইকারি বাজার মূল্য ১৮ থেকে ১৯ লাখ টাকা।
কর্মচারী বেতন সহ অন্যান্য খরচ বাদে তাঁর লাভ থাকে ১৫ লাখ টাকা। শাহাদত তাঁর মৌমাছি খামার নিয়ে এবার বগুরার কাহালুতে একটি গ্রামের মাঠে এসেছিলেন। মৌমাছি পালনের মাধ্যমে তাঁর মধু সংগ্রহ করা দেখে এলাকার অনেক চাষি মৌমাছি পালনে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ওই এলাকার চাষি আবদুল মোমিন জানান, সরকারি বা বেসরকারিভাবে প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করলে তারাও একাজে এগিয়ে আসতেন। বগুরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ চণ্ডিদাস কুন্ডু জানান, আমাদের দেশে বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি চাষের উজ্জ্বল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তাই তাঁরা কৃষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষনের মাধ্যমে মৌমাছি চাষে উৎসাহিত করছেন। এ লক্ষ্যে কৃষকদের প্রশিক্ষনের পাশাপাশি সহজ শর্তে ঋন দেয়ার কথাও জানান তিনি। চন্ডি দাশ আরও জানান, এবছর বগুরার ১৫ হাজার সরিষার ক্ষেতে মৌমাছির বাক্স বসিয়ে ৭০ মেট্রিক টন মধু সংগ্রহ করা হয়েছে। যার বাজার মূল্য প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা।
তিনি জানান, এক সময় মৌমাছি বনে জঙ্গলে গাছের ডালে বাসা বাধলেও বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি চাষ করছেন অনেকেই।
সাধারণত সরিষাখেত, লিচু বাগান, আম বাগানের পাশে বিশেষ বক্সে মৌমাছি চাষ করা হয়। এই বক্সে জমানো মধু মেশিনের সাহায্যে প্রক্রিয়া করা হয়। শাহাদত বলেন, ২০০৭ সালে পল্লীউন্নয়ন একাডেমী ( আরডিএ) বগুরা থেকে মৌমাছি পালন বিষয়ে মাত্র তিন দিনের প্রশিক্ষন নিয়ে নিজের প্রবল ইচ্ছা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে কয়েক বছরের ব্যবধানে গড়ে তুলেছেন এক মৌমাছি পালন প্রকল্প। তাঁর প্রকল্প থেকে সংগৃহীত মধু স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানির স্বপ্ন দেখছেন তিনি। মৌমাছির প্রকল্প করে তিনি যেমন লাভবান হয়েছেন, পাশাপাশি আরো চার জনের কর্মসংস্থান হয়েছে। শাহাদত জানান, সরিষা, কালোজিরা সহ বিভিন্ন ফলস ও বাগানের ফুলে মৌমাছি বসায় পরাগায়ন সৃষ্টির ফলে ফলন বৃদ্ধি পাচ্ছে। শাহাদতের মৌমাছির খামারে ৮০ টি বাক্স রয়েছে। বছরে সাত মাস মধু সংগ্রহ করেন তিনি। এ সময়ের মধ্যে ১০০ থেকে ১০৫ মণ মধু সংগ্রহ করা যায় বলে সাহাদাত জানান। এই পরিমাণ মধুর পাইকারি বাজার মূল্য ১৮ থেকে ১৯ লাখ টাকা।
কর্মচারী বেতন সহ অন্যান্য খরচ বাদে তাঁর লাভ থাকে ১৫ লাখ টাকা। শাহাদত তাঁর মৌমাছি খামার নিয়ে এবার বগুরার কাহালুতে একটি গ্রামের মাঠে এসেছিলেন। মৌমাছি পালনের মাধ্যমে তাঁর মধু সংগ্রহ করা দেখে এলাকার অনেক চাষি মৌমাছি পালনে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ওই এলাকার চাষি আবদুল মোমিন জানান, সরকারি বা বেসরকারিভাবে প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করলে তারাও একাজে এগিয়ে আসতেন। বগুরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ চণ্ডিদাস কুন্ডু জানান, আমাদের দেশে বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি চাষের উজ্জ্বল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তাই তাঁরা কৃষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষনের মাধ্যমে মৌমাছি চাষে উৎসাহিত করছেন। এ লক্ষ্যে কৃষকদের প্রশিক্ষনের পাশাপাশি সহজ শর্তে ঋন দেয়ার কথাও জানান তিনি। চন্ডি দাশ আরও জানান, এবছর বগুরার ১৫ হাজার সরিষার ক্ষেতে মৌমাছির বাক্স বসিয়ে ৭০ মেট্রিক টন মধু সংগ্রহ করা হয়েছে। যার বাজার মূল্য প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা।
No comments:
Post a Comment