পাখির চাষ করে স্বাবলম্বি
হয়েছেন ঝিনাইদহের বেকার যুবক মীর কামরুল ইসলাম। তার বাড়ি ঝিনাইদহ সদর
উপজেলার গান্না ইউনিয়নের চন্ডিপুর বাজার সংলগ্ন পার্বতীপুর গ্রামে।
বেকারত্বের অভিষাপ থেকে মুক্তি পেতে এক সময় তিনি সহায় সম্বল বিক্রি করে
বিদেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন। কিন্তু এতেও তার ভাগ্যের কোন উন্নতি হয়নি। উপরন্তু
তার জীবনে নেমে আসে প্রবাস জীবনের নানা বিড়ম্বনা। ফলে তিনি ২০০৯ সালের শেষ
দিকে দেশে ফিরে আসেন। মীর কামরুল ইসলাম তার বেকার জীবনের স্মৃতিচারণ করে
বলেন, দেশে ফেরার পর তার এক আত্মীয়র পরামর্শে তিনি দু’বছর আগে যশোরের বার্ড
প্যালেস হ্যাচারী থেকে একদিনের কোয়েল পাখির সাড়ে ৪ হাজার বাচ্চা প্রতিটি ৫
টাকা দরে কিনে এনে নিজ বাড়িতে পরিচর্যা শুরু করেন। দিন দিন দ্রুত বেড়ে উঠে
পাখিগুলো। এক পর্যায় প্রতিদিন প্রায় দেড় হাজার ডিম দেওয়া শুরু করে। এভাবে
প্রতিদিন খরচ বাদে দুই হাজার টাকারও বেশি আয় হয় তার। এক বছরের মাথায় তার সব
খরচ-খরচা বাদ দিয়ে প্রতি মাসে আয় দাড়াঁয় প্রায় ৬০ হাজার টাকার ওপর। মাত্র
৩০ হাজার টাকা পুজিঁ নিয়ে শুরু করা এই ব্যবসা অল্প সময়ে তার আর্থিক
স্বচ্ছলতা এনে দেয়। অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বি হয়ে উঠছেন তিনি। দিন যত
যাচ্ছে খামাওে পাখির সংখ্যা ও আয় সমানে বেড়ে চলেছে। তাই স্বাচ্ছন্দে জীবন
কাটছে তার। কামরুল ইসলাম মনে করেন, দেশে বা বিদেশে চাকুরীর পেছনে না ছুটে
অল্প পুজিঁতে অতি সহজেই কোয়েল পাখির চাষ করে স্বাবলম্বি হতে পারে যে কেউ।
No comments:
Post a Comment